A PLATFORM FOR SANSKRIT ACADEMICIANS

॥महामहनीय! मेधाविन्! त्वदीयं स्वागतं कुर्मः॥

Namaste. I, Dr. Srimanta Bhadra, Head & Assistant Professor, PG Department of Sanskrit, Raja Narendra Lal Khan Women's College (Autonomous), will share various study materials here related to Sanskrit language, literature and scripture especially Sanskrit Grammar. Let me know your feedback in the comments. It will encourage me and do not forget to comment your favourite topics which you want to read in future.
अवनितलं पुनरवतीर्णा स्यात् संस्कृतगङ्गाधारा
Thanks & Regards
Dr. Srimanta Bhadra

Saturday, July 18, 2020

সাহিত্যদর্পণ (প্রথম পরিচ্ছেদ)



সাহিত্যদর্পণ

UGC SANSKRIT NET SYLLABUS

  • মম্মটরচিত কাব্যপ্রকাশ অনুসরণে অষ্টাদশ ভাষাবিদ্ বিশ্বনাথ কবিরাজ রচিত সাহিত্যদর্পণ দশটি পরিচ্ছেদে বিভক্ত।
  • এই গ্রন্থে অধ্যায় গুলির পরিচ্ছেদ নামকরণ করা হয়েছে
  • গ্রন্থের প্রতিপাদ্য বিষয়–
    • প্রথম পরিচ্ছেদ –কাব্যপ্রয়োজন, অন্য আচার্য কথিত কাব্যলক্ষণের খণ্ডন, নিজমতে কাব্যলক্ষণ
    • দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ– বাক্য, মহাবাক্য, পদ, অভিধা, লক্ষণা, ব্যঞ্জনা, তাৎপর্যবৃত্তি
    • তৃতীয় পরিচ্ছেদ– রস, বিভাব, অনুভাব, ব্যভিচারী, নায়কের প্রকারভেদ, নায়িকার প্রকারভেদ, স্থায়িভাব, রসভেদ
    • চতুর্থপরিচ্ছেদ– কাব্যভেদ, ধ্বনিকাব্য, গুণীভূতব্যঙ্গ্যকাব্য, চিত্রকাব্যের খণ্ডন
    • পঞ্চমপরিচ্ছেদ– ধ্বনির (ব্যঙ্গ্যার্থের) প্রতিষ্ঠা
    • ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ– দৃশ্যকাব্য, রূপক, রূপকের প্রকার, উপরূপক, শ্রব্যকাব্য ও তার প্রকারভেদ
    • সপ্তম পরিচ্ছেদ – কাব্যদোষ
    • অষ্টম পরিচ্ছেদ– গুণ
    • নবম পরিচ্ছেদ– রীতি
    • দশম পরিচ্ছেদ– অলঙ্কার


প্রথম পরিচ্ছেদ


  • নির্বিঘ্নে গ্রন্থসমাপ্তির জন্য বাগ্দেবী সরস্বতীর স্তুতিপূর্বক মঙ্গলাচরণ করেছেন।
  • মঙ্গলাচরণে শরৎ কালের জ্যোৎস্নার সঙ্গে সরস্বতীর কান্তির তুলনা করা হয়েছে।
  • কাব্যপ্রয়োজন– চতুর্বর্গের (ধর্ম, অর্থ, কাম এবং মোক্ষের) প্রাপ্তি।
  • কাব্য থেকে চতুর্বর্গের প্রাপ্তি হয় একথা ভামহও বলেছেন। তাঁর উক্তিটি হল–

ধর্মার্থকামমোক্ষেষু বৈচক্ষণ্যং কলাসু চ।                করোতি কীর্তিং প্রীতিং চ সাধুকাব্যনিষেবণম্।।

  • কাব্য থেকে ধর্ম– দেবতাদের উদ্দেশ্যে স্তোত্রকাব্য রচনা এবং সেই স্তোত্র পাঠের দ্বারা ধর্মলাভ হয়।
  • কাব্য থেকে অর্থ– কাব্য থেকে অর্থের প্রাপ্তি প্রত্যক্ষসিদ্ধ। ভালো কবিতা লিখলে পুরস্কার পাওয়া যায় এবং প্রকাশন থেকেও যথেষ্ট উপার্জন হয়।
  • কাব্য থেকে কাম– অর্থ থাকলে কামনার অর্থাৎ ইচ্ছার পূরণও সম্ভব।
  • কাব্য থেকে মোক্ষ– স্তোত্র রচনা বা পাঠ নিষ্কাম ভাবে করলে মুক্তি অর্থাৎ মোক্ষ।
  • চতুর্বর্গের প্রাপ্তি বেদ, পুরাণ প্রভৃতি থেকেও হয় কিন্তু বেদ প্রভৃতি ক্লিষ্ট। সেখানে কাব্য তুলনামূলক ভাবে অনেক সহজ। এখানে গল্পের ছলে শেখানো হয় রামের মতো হও, রাবণের মতো নয়। এখানে একটি কথা স্মরণীয়– বেদ হল প্রভুসম্মিত (প্রভুর মতো আদেশ করেন), পুরাণ হল মিত্রসম্মিত (বন্ধুর মতো ভালোমন্দ বোঝায়), কাব্য হল কান্তসম্মিত (পত্নীর মতো ভালোবাসা দিয়ে সঠিক পথে প্রবর্তন করায়, বন্ধুর মতো উপদেশ দিয়েই ক্ষান্ত হন না)।
  • কাব্যের মাহাত্ম্য অগ্নিপুরাণেও কীর্তিত হয়েছে–
নরত্বং দুর্লভং লোকে বিদ্যা তত্র সুদুর্লভা।                       কবিত্বং দুর্লভং তত্র শক্তিস্তত্র সুদুর্লভা।।
  • আরও বলা হয়েছে– ত্রিবর্গসাধনং নাট্যম্।
  • বিষ্ণুপুরাণেও কীর্তিত হয়েছে–
কাব্যালাপশ্চ যে কেচিদ্ গীতকান্যখিলানি চ।               শব্দমূর্তিধরস্যৈতে বিষ্ণোরংশা মহাত্মনঃ।।



No comments:

Post a Comment